রংপুর প্রতিনিধিঃ রংপুরের বিভিন্ন মার্কেটে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। মধ্যরাত পর্যন্ত বেচাকেনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাহারি রঙের পোশাকে দোকানগুলোতে সাজসাজ অবস্থা।
শুক্রবার (২৪ জুন) জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, জেলা পরিষদ কমিউনিটি মার্কেট, জাহাজ কোম্পানি শপিং কমপ্লেক্স, ছালেক মার্কেট, গোল্ডেন টাওয়ার, সিটি প্লাজা, মতি প্লাজাসহ বেশ কিছু মার্কেট ঘুরে এ চিত্র পাওয়া যায়।
দেখা যায়, বিপনী বিতানগুলো কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সের মানুষের পদচারণায় মুখরিত। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে বেচাকেনা ততই বাড়ছে। কেনাকাটা নির্বিঘ্নে নেওয়া হয়েছে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ঈদ উপলক্ষে দোকানগুলোতে দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে ভারতীয় পোশাক।
ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে পোশাক এসেছে রাজশাহী সিল্ক, অ্যান্ডিকটন, সুতি ও তসর, টাপুর-টুপুর, জলনূপুর, পাঙ্খখুরি, আশিকি-২, বিপাশা বসু, তুমিলি, মেয়েদের লেহেঙ্গা, গেঞ্জিসেট, টপসেটসহ বাহারি পোশাক।
ঈদ বাজারে নারীদের পছন্দে রয়েছে বিভিন্ন রকমের শাড়ি ও লেহেঙ্গা। জর্জেট, ধুপিয়ান সিল্কের শাড়ি পছন্দ করছেন তারা। শাড়িসহ বিভিন্ন পোশাক পাওয়া যাচ্ছে ৫শ’ থেকে ৩০ হাজার টাকায়।
তরুণীদের জন্য রয়েছে থ্রিপিস, বিপাশা বসু, জান্নাত, আশিকি, পাঙ্খখুরি, চেন্নাই, সোনাক্ষী, তুমিলি, ছানছান, ছাম্মাক ছালো, উলালা, ঝিলিক-২, খুশি, আনারকলিসহ বিভিন্ন বাহারি পোশাক।
বাচ্চাদের শার্ট-প্যান্ট পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ২ হাজার টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলেন, ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে ওঠছে বেচাকেনা। এখন দম ফেলার সময় নেই। সব মার্কেটে একই চিত্র।
রংপুর কলেজের ছাত্রী রুনা আক্তার অগ্রদৃষ্টিকে জানান, এবার মার্কেটগুলোতে ভালো মানের পোশাক এসেছে। তবে দাম বেশি হলেও পছন্দমতো পোশাক পাওয়া যাচ্ছে।
রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করে বাংলানিউজকে বলেন, ছেলেদের পোশাক বেশি ভালো পাওয়া যাচ্ছেনা।
বাবা-মার সঙ্গে কেনাকাটা করতে আসা ৭ বছরের শিশু সিনহা ইসলাম বলে, জামা কিনতে এসেছি। নিজেরটা শেষ করে বোনেরটাও কিনবো।
ব্যবসায়ী জিয়া অগ্রদৃষ্টিকে জানান, ঈদের বাজার জমে উঠেছে। বেচাকেনা বেশ ভালো। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা।
রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল ফারুক বাংলানিউজকে বলেন, মহানগরীর মার্কেটগুলোতে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে পুলিশ। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাদা পোশাকে প্রতিটি মোড়ে তল্লাশি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।